HomeNewsযোগ্য ও অযোগ্যদের পৃথক তালিকা দিতে রাজি জানিয়ে দিল এসএসসি, বিস্তারিত জানুন।

যোগ্য ও অযোগ্যদের পৃথক তালিকা দিতে রাজি জানিয়ে দিল এসএসসি, বিস্তারিত জানুন।

সম্প্রতি চাকরি হারিয়েছে রাজ্যের ২৬ হাজার সরকারি কর্মচারী। এই সকল কর্মচারীই হলেন শিক্ষক অর্থাৎ SSC বা স্কুল সার্ভিস কমিশনের আওতায়। এবার সমস্যা হলো যে এই প্রার্থীদের মধ্যে বেশ কিছুজন যোগ্য এবং বাকিরা অযোগ্য, তবু সকলেই চাকরিহারা হয়েছেন। যোগ্য প্রার্থীদের দাবি মাথায় রেখে এবার যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের পৃথক তালিকা আদালতে পেশ করতে প্রস্তুত হলো SSC বা স্কুল সার্ভিস কমিশন।

সম্প্রতি এই কথায় জানা গেছে। সুপ্রিম কোর্ট চাইলে যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের পৃথক তালিকা দিতে প্রস্তুত এসএসসি। এই কথা প্রচার হতেই তা কিকরে করা হবে সেই নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। জানাজানি হয়েছে যে বেশ কিছু প্রার্থীদের ওএমআর শিট নেই। সেগুলি খোয়া গিয়েছে। সেক্ষেত্রে যোগ্য এবং অযোগ্য বাছাই করা যে সমস্যা হবে তার বিষয়েই প্রশ্ন তুলেছেন aসুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়।

যদিও এসএসসির এহেন কথাতে সর্বোচ্চ আদালত সামান্য হলেও ভরসা করেছে বলেই জানা যাচ্ছে। এই অবস্থায় এসএসসির করণীয় পথ একটিই খোলা আছে। সেটি হলো গাজিয়াবাদ থেকে সিবিআইয়ের উদ্ধার করা ২০১৬ সালের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি মেনে নেওয়া পরীক্ষার ওএমআর শিট আদালতে জমা দেওয়া! জানিয়ে রাখি এই প্রসঙ্গে যে ওই ওএমআর শিটগুলি এসএসসি তাদের ওয়েবসাইটে আপলোড করেছিল।

See also  বদল হলো স্কুলের সময়। জুন মাসে কখন স্কুলের সময় হলো জানুন।

সিবিআইয়ের হাতে উদ্ধার হওয়া ওই ওএমআর শিটগুলিকে স্বীকৃতি দিয়েছেন স্বয়ং কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি দেবাংশু বসাক ও বিচারপতি সব্বর রশিদির ডিভিশন বেঞ্চও। অর্থাৎ এটি হতে পারে একমাত্র রাস্তা।এই রাস্তা ধরে গেলে বেঁচে যাবে যোগ্য প্রার্থীদের চাকরি!

সম্প্রতি অস্বচ্ছতার অভিযোগে বাতিল হয়েছে পুরো ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল। যদিও এসএসসি এই বিষয়ে কিছু জানাতে নারাজ। তবে তারা নিজেদের তরফে যোগ্য ও অযোগ্য প্রার্থীদের পৃথক তালিকা আদালত চাইলেই পেশ করার প্রস্তাব দিয়েছে। এইক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী প্রত্যেক যোগ্য প্রার্থীর ওএমআর খতিয়ে দেখতে প্রস্তুত স্কুল সার্ভিস কমিশন।

কলকাতা হাইকোর্টের রায়ের ভিত্তিতে আগেই নবম–দশমের শিক্ষক এবং শিক্ষাকর্মী মিলিয়ে ৩ হাজার ৬৩০ জনের সুপারিশপত্র প্রত্যাহার করেছিল এসএসসি। তাই মধ্যশিক্ষা পর্ষদও এঁদের নিয়োগপত্র প্রত্যাহার করে নেয়। পরে যদিও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি অনিরুদ্ধ বসু এবং বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়ার বেঞ্চ এতে স্থগিতাদেশ দেন। আর তাই এই শিক্ষক–শিক্ষাকর্মীদের বেতনও আবার চালু হয়েছিল। ফের এখন প্রায় ২৬ হাজারের চাকরিহারাদের বিষয়টি নিয়ে মামলা চলছে সুপ্রিম কোর্টে। এবার দেখার যে বিষয়টি কতদূর নিষ্পত্তি লাভ করে।

See also  পরীক্ষার পরের দিনই বাতিল পরীক্ষা! জালিয়াতির তদন্ত করবে CBI! জানুন বিস্তারিত।

Written by Riya Ghosh

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

RELATED ARTICLES

Most Popular